বঙ্গমাতার অনুপ্রেরনা -ই  বাংলাদেশ স্বাধীন – ড. আবদুস সোবহান গোলাপ

জাতীয় দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে রাজনীতি

কালের ছবি ডেস্ক:  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সহধর্মীনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের উদ্যোগে  ০৯ আগস্ট ২০২১ইং, রোজঃ সোমবার, বেলা-১২.০০ ঘটিকায় ১৯, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, নীচ তলা (দলীয় কার্যালয়ে) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়ীদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এম.পি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর নস্কর এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি আবুল বাশার, মুহাম্মদ আলম, গিয়াস খান, মোঃ ইউনুস, ডা. মমতাজ খানম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহম্মেদ তালুকদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ শফিউল আলম শফিক, দপ্তর সম্পাদক এম এইচ এনামুল হক রাজু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোঃ সাঈদ মজুমদার,

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সাজেদুর রহমান খান কমল, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক সুকুমার বর্মন, সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম মামুন সিদ্দিকী, রেজুয়ান আলী খান আর্নিক, উপ-দপ্তর সম্পাদক গোলাম সাব্বির সহ কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব মোঃ আব্দুল জলিল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সদস্য সচিব কাজী মহিদুল ইসলাম সহ বিভিন্ন থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আবদুস সোবহান গোলাপ বলেন, মহিয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী আজ। স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের গুলিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বেগম ফজিলাতুন্নেছা ৪৫ বছর বয়সে শহিদ হন। ৩৭ বছর সংসার জীবনে নিজের সুখ, শান্তি বিসর্জন দিয়ে বঙ্গবন্ধুর পাশে ছায়ার মত থেকেছেন।

 

বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রেরনা ও সাহস দিয়ে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির দিকপাল হিসেবে কাজ করেছেন। এমনকি বঙ্গালি জাতির মুক্তির অন্যতম সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছেন, তাই আজ বাংলাদেশ স্বাধীন। বিংশ শতাব্দির শ্রেষ্ঠ নারী হিসেবে বঙ্গমাতা বাঙ্গালি জাতির হৃদয়ে শ্রেষ্ঠ আসনে অধিষ্ঠিত থাকবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়–য়া বলেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব শুধু বঙ্গবন্ধুর সহধর্মীনি ছিলেন না, জাতির পিতার রাজনীতির অনুসমর্থক পরামর্শক ছিলেন। জাতির পিতা কারাগারে থাকাবস্থায় নিজের ঘরের স্বর্ণালংকার বিক্রি করে নেতাকর্মীদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন।

 

বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত রেখে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য কাজ করেছেন। ধীরে ধীরে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গমাতা উপাধীতে ভূষিত হয়েছেন। সেই বঙ্গমাতার সুসংগঠিত আওয়ামী লীগ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়েছে।

দীর্ঘ ১৩ বছর ক্ষমতায় থাকার কারনে অনেক ভূইফোড় সংগঠন গজিয়েছে এবং আওয়ামী লীগের সুনাম ক্ষুন্ন করেন, তাদের ব্যাপারে একবিন্দু পরিমান ছাড় নেই।

১৫ আগস্ট জাতির পিতার হত্যার পরে একমাত্র জিয়াই সবচেয়ে লাভবান হয়েছিল এবং গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। তাদের মুখে বহুদলীয় গণতন্ত্র মানায় না। গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের মানষকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বহুদলীয় রাজনৈতিক চর্চা করতে পারছে এবং পারবে। আজ বিএনপি, জামায়াত উন্নয়ন চোখে দেখে না, চোখ ওনাদের অন্ধ।

ওনারা দেখেন ষড়যন্ত্র আর ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্র করেই ওনারা ক্ষমতায় যেতে চান। তাই সকল ষড়যন্ত্রকে রুখে দাড়াতে সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ আওয়ামী লীগের একটি উদীয়মান সহযোগী সংগঠন, ঢাকা সহ সারা দেশে ঢেলে সাজাতে হবে এবং বিএনপি, জামাতমুক্ত সংগঠন গড়ে তুলতে হবে।

সব শেষে বিপ্লব বড়–য়া আরও বলেন, করোনাকালীন মহামারীর সময় সর্বসাধারণের পাশে যার যতটুকু সামর্থ্য আছে তাই নিয়ে পাশে থাকতে হবে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-৪১ কে বাস্তবায়ন করতে হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *