1. aminandbd@gmail.com : Aminul Islam : Aminul Islam
  2. rajib6850@gmail.com : Md. Rajib : Md. Rajib
  3. mrkarim121292@gmail.com : Leo Rezaul Karim : Leo Rezaul Karim
  4. zahidbdg@gmail.com : Zahidul Islam : Zahidul Islam
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:২৬ অপরাহ্ন

সংঘাত কি অনিবার্য?

  • Update Time : বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ১১ Time View

বিএনপি ঢাকায় কোনো ঝামেলা করলে হেফাজতে ইসলামকে মতিঝিল থেকে যেভাবে উঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এর চেয়ে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবেআব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ১০ ডিসেম্বর ঢাকাকে ‘অবরুদ্ধ’ করার চিন্তা আওয়ামী লীগেরআওয়ামী লীগের ভাবনা হলো, ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশ ব্যর্থ করে দিতে পারলে পরবর্তী সময়ে আর দাঁড়াতে পারবে না দলটি। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর ‘ঢাকা অভিযাত্রা’ কর্মসূচি দিয়েছিল বিএনপি। সেবার দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকেই বের হতে দেওয়া হয়নি। ওই কর্মসূচির বেশ কদিন আগে থেকেই খালেদা জিয়ার বাসভবন ঘিরে বালুর ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছিল। এরপর বিএনপি আর ঢাকায় বড় জমায়েত করতে পারেনি।

এসব বিবেচনায় বিএনপির জন্য রাজধানী ঢাকার গণসমাবেশ অনেকটা ‘অ্যাসিড টেস্টে’ রূপ নিয়েছে। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা হলো, ঢাকা নিয়ন্ত্রণে না নিতে পারলে দেশের রাজনীতিও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া যায় না। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার বাইরের বিভাগীয় গণসমাবেশগুলোতে বাধার মুখেও বেশ বড় জমায়েত দেখাতে পেরেছে বিএনপি। কিন্তু ঢাকায় ব্যর্থ হলে কর্মীদের মধ্যে ইতিমধ্যে যে চাঙাভাব দেখা যাচ্ছে, তাতে ভাটা পড়বে। আর আওয়ামী লীগ এটাই করতে চাইছে। এ জন্য ক্ষমতাসীন দলটি কয়েক স্তরের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

বিএনপিকে যে সহজে ছাড় দেওয়া হবে না, সে ইঙ্গিত পাওয়া যায় আওয়ামী লীগের নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তৃতায়। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কদিন ধরেই বলছেন, ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা রাজপথে থাকবেন। বিএনপিকে শান্তি নষ্ট করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাকও অন্তত তিন দিন বলেছেন, বিএনপি ঢাকায় কোনো ঝামেলা করলে হেফাজতে ইসলামকে মতিঝিল থেকে যেভাবে উঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এর চেয়ে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।৫ নভেম্বর বাড্ডায় ও ২০ নভেম্বর উত্তরায় শান্তি সমাবেশ করেছে তারা। দুটিতেই দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিপুল জমায়েতও করা হয় এগুলোতে। প্রতিটি শান্তি সমাবেশের আগে ওই সব এলাকার ওয়ার্ড ও থানা কমিটি নিয়ে প্রস্তুতি সভা হয়েছে। মোহাম্মদপুরে সর্বশেষ শান্তি সমাবেশ করবে মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ। এখনো তারিখ ঠিক হয়নি। তবে ২৬ নভেম্বর হতে পারে।

এদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ে প্রস্তুতি সভা করছে। ২৬ নভেম্বর তাদের সঙ্গে দক্ষিণ যুবলীগের যৌথ সভা হবে। এরপর ৯ ডিসেম্বর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। সংগঠনের নেতারা বলছেন, এই সমাবেশে বিপুল জমায়েত নিশ্চিত করার বিষয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশনা রয়েছে।

বর্তমান সরকারের টানা ১৪ বছরের শাসনকাল চলছে। এর মধ্যে সমালোচনা-বিতর্ক নিয়ে দুটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সংঘাত-সহিংসতার মধ্য দিয়ে। আরেকটি জাতীয় নির্বাচন আসন্ন। এই নির্বাচনকে রাজনৈতিক মহল, নাগরিক সমাজ ও বিদেশিরাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। কিন্তু বিএনপি ঘোষণা দিয়ে রেখেছে, তারা সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না। বিপরীতে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী, তাঁরা একচুলও নড়বেন না।

তাহলে কী, রাজনৈতিক এই বিরোধের ফয়সালা কি রাজপথেই হবে?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
কপিরাইট © 2022 দৈনিক কালের ছবি
Design & Development By Md. Rajib